image

গডেস অব অ্যামনেশিয়া (১৩)

দাদী সন্তানের ঝরে যাওযা রক্ত আর চার-আঙুলের বীভৎস হাত দেখে সারা সন্ধ্যা প্রমত্ত পাথর হয়ে বসে থাকে। মায়ের চোখভরা পানি কিন্তু সে কাঁদছে না। আর আমি বারবার আমার সারা মাথা জুড়ে বাবার সেই হারিয়ে যাওয়া আঙুলের স্পর্শগুলো অনুভব করতে থাকি। আমার কেমন করে যেন কেমন লাগতে থাকে! ঠিকমতোন বুঝে উঠতে পারি না!

image

ইলমাজ গু’নে: জীবন ও চলচ্চিত্র

ইলমাজ গু’নে এবার জেল হতে স্বল্পকালীন মেয়াদে মুক্ত কয়েকজন কয়েদি’র গল্প বলেন। সেইয়্যিত আলী বাড়ীতে গিয়ে জানতে পারেন তার প্রিয়তমা স্ত্রী তার অনুপস্থিতিতে পতিতালয়ে পালিয়ে যায়, স্বামী-সন্তান কিংবা বংশের সম্মানের কথা না ভেবে। মেহমেত্ সেলিহ গ্রেফতার হয়েছিল তার শ্যালকের সাথে অপরাধে যুক্ত থাকার সন্দেহে।

image

পিঙ্ক ফ্লয়েডের ভোকালে স্টিফেন হকিং!

পিঙ্ক ফ্লয়েড দলের ডেভিড গিলমার স্টিফেন হকিং এর একটি টিভি বিজ্ঞাপনে এতই প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলেন যে তিনি দলের দুই দুইটি গানে হকিং এর ভয়েস ইউজ করেন। মোটর নিউরনের সমস্যা কারণে তিনি মূলত স্বাভাবিক জীবন থেকে ছিটকে পড়েছিলেন। তিনি কৃত্রিম স্পিচ-জেনারেটিং যন্ত্র দিয়ে কথা বলতেন। মূলত তাঁর চিবুকের মাসল দিয়েই এই যন্ত্রটি তিনি নিয়ন্ত্রন করতেন।

image

বারীন আলো

অপূর্ব চলার ইশারাই হল বারীন ঘোষালের কবিতা । নিজের সময়ের চেয়ে যিনি অনেক এগিয়ে দেখেছেন বাংলা কবিতাকে । পুব কখনো ফুরোয়নি তাঁর । নিজস্ব রাস্তায় সরাইখানার কোন আহ্লাদ না রেখে যে পথ তিনি বানিয়েছেন, সে পথে কোন গন্তব্য নেই , কোন দিগন্তরেখা নেই । চলার ভেতরেই পথের বিচরণভূমি । কবিতা এবং কবিতাতীতের সম্পর্ক এক, অবিচ্ছেদ্য । এইসব পথে বারীন ঘোষালের সাথে বারীন ঘোষালের দেখা হয় ।

image

গডেস অব অ্যামনেশিয়া (১২)

রাত বাড়ছে কিন্তু বৃষ্টি থামার নাম নাই। আরও শব্দে, আরও ভীষণ তীব্র আবেগ নিয়ে বৃষ্টি পড়ছে। অন্ধকার আর বৃষ্টির ঢেউ উঠান ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর এক নামধারী এই দুই অতি ভিন্ন ব্যক্তি যেন তাদের প্রথম জীবনে থমকে আছেন। তাঁরা তখনও কেউ মা, নানী বা দাদী নন। তখন তারা কেবল কারও সন্তান, কারও বোন।

image

যোগ পরিচিতি

আমি কিছুটা ধাক্কা খেয়েছি। আমার অবস্থাও ঠিক সেরকমই ছিল। আমার মনোঃসমীক্ষণ অনুশীলনে প্রায় আশিটি মক্কেল এর কেস জমা পড়েছিলো এবং আমিও তাদেরকে কোনোভাবে সমাধান দিতে পারছিলাম না। বিষয়টি আমার জন্য খুবই হতাশাজনক হয়ে পড়ছিলো।

image

সামিরা ও তার চলচ্চিত্র

ইরানি নারী পরিচালকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রোজ্জ্বল সামিরা মাখমলবাফ। জন্ম ১৯৮০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। মা মর্জিয়া মেশকিনী এবং বাবা মোহসেন মাখমালবাফ দু’জনই বিখ্যাত পরিচালক। মাত্র ১৭ বছর বয়সে সামিরার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র দ্য আপেল মুক্তি পায় যা তাকে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। এটি ছাড়া তার পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলো হল ব্ল্যাকবোর্ড, অ্যাট ফাইভ ইন দ্য আফটারনুন, টু ল্যাগড হর্স।

image

শেফালি যা জানে না

মিস্ট্রিসিজম কিন্তু এখনো অনেক বাকি, টিকেট কাটা হলো, বেরিয়ে পড়বো, ঘুরপাক খাবো আর লাস্ট মোমেন্টটা জানবো না? তা তো হয় না! শেফালির আটাশতম দিনের যে অসুখ, সেখানে পাঠক আমি কিংবা ব্যক্তি আমি কবিকে তারই লেখা একটা লাইন স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, যে লাইন হলো: ''কাওরান বাজার থেকে যে রাস্তাটা হাতিরঝিলের দিকে, সেখানেই হারিয়ে গিয়েছিলো শেফালি।'

image

সাদাত হাসান মান্টো; কিছু গল্প, গল্প নিয়ে কথা ও ভাবনা

মেদহীন, স্পষ্ট, ছুরির মত, চৌকস ইত্যাদি বহু তকমা চাইলে সাদাত হাসান মান্টোকে দেয়া যায় । সাদাত হাসান মান্টো শব্দ দিয়ে বুঝিয়ে, কখনো বিদ্রুপ করে, কখনো বা চোখে আঙ্গুল দিয়ে বা বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, যেভাবে পেরেছেন গল্পটা বলে গেছেন ।

image

লাল মোরগের ঝুঁটি নিয়ে

আমি কাব্যের ব্যাকরণ বুঝি না, কোনদিন হয়তো বুঝতেও চাই নাই , অই সব কাব্যের পরিভাষা। তাই ভারি ভারি শব্দে অনেক কিছুরেই বাগে আনতে পারি না। কিন্তু দেখেন আমরা ছোটগো কাব্য লয়া যেমন ধারনা মাথায় রাখি, তার চেয়ে বিজয়ের লেখাগুলা অনেক দিক থিকাই আলাদা। মাঝে মাঝে মনে হয় এইসব আসলে একটা কনফিডেন্ট বাচ্চার মনোলগ।