image

অতীশ সাহা’র মুখোমুখি

তাসের দেশ। একটি প্রদর্শনী। আরামবাগে। না কোন গ্যালারীতে নয়। পরিপাটি কোন স্পেসেও নয়। গার্মেন্টস-ছাপাখানা-স্টোররুমের স্পেসে। অইরকম পরিবেশে। অন্যরকম এক শো। বিভিন্ন জেনারেশনের-বিভিন্ন মিডিয়ার-ভিন্ন মাত্রার ২৫জন শিল্পী-কবিদের নিয়ে এই প্রদর্শনী। এ প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম এর কিউরেটর অতীশ সাহার।

image

সিনস অফ সিনেমা ২

সিনেমার ট্রেইলার তখনো ছিলো মনেহয় (১৯৭৬ সালের ঘটনাই তো), একজন আরেকজনরে ঘুষি দিতেছে, দিতে দিতে বালুর টিলা থিকা নিচে ফালায়া দিতেছে আর বারবার তিনবার জিগাইতেছে, ‘বল তোর নাম কি?’ অন্যজন মাইর খাইতেই থাকে; শেষে সে যখন পাল্টা ঘুষিটা দিতে পারে, তখন কয়, ‘মিন্টু আমার নাম!’

image

আবীর সোমের ইন্টারভিউ

আর্টের মাধ্যমে আমি রিএক্ট করি আমার রাষ্ট্রের সাথে, সোসাইটির সাথে, আর্ট সিনের সাথে। অন্যের আর্ট দেখে ভালো লাগা প্লাস জেলাস হয়েও আর্ট করি। আর আমি বহুবার আর্ট থেকে সরে যেতে চাইছি কিন্তু কিছুদিন পর পর আবার ফিরি, তাই হয়তো আর্ট করি।

image

গডেস অব অ্যামনেশিয়া (৫)

ভরা শ্রাবণ মাসে হঠাৎ একদিন সেই বড়বাড়ি থেকে বিয়ের দাওয়াত আসে ইমামের কাছে। কতদিন যে ওই বাড়ি যায় না সে তার ইয়ত্তা নাই। অথচ একসময় প্রতি বিকেল কাটত ওই উঠানে। সেই রেডিওমুখর দিনগুলো! সেই সুর-মত্ত কিশোরীর কণ্ঠ! পেয়ারা গাছের ছায়ায় বসে সিনেমার দীর্ঘ দীঘল আলাপ! পান খাওয়া গাওয়া রঙ্গিন দিনগুলো, আহা!

image

রেইপার

রেপিস্ট আর রেইপারের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে, এই গল্পটা সেই পার্থক্য নিয়া না। শুধু এতটুকু কইতে পারি, যেমন ধরেন গিয়া - রেপিস্ট মানে ঘৃণ্য কোন মানুষ, কারণ এইটা একটা অন্যায়। কিন্তু রেইপার একটা পেশা, দুইজনেই একই কাজ করে কিন্তু পরিস্থিতি ভিন্ন। এখন পেশা ঘৃণ্য হইলে সমস্যা আছে। কাজের বুয়ার পেশাও তো ঘৃণ্য। আপনি করবেন নাকি এই কাজ! করবেন না।

image

প্রেম ও মিলেনিয়াম মাম্বো আর টাইম নামের দুই সিনেমা

প্রেম লইয়া শরৎচন্দ্রের একটা কথা একসময় খুব হুনতাম। 'প্রেম শুধু কাছেই টানে না, উহা দূরেও ঠেলিয়া দেয়' - এইরকম। এই ফিল্মে আমরা দেখি, প্রেম অনলি প্রেমিক/প্রেমিকার দেহগত উপস্থিতির মইদ্যেই আটক থাকে না। আর, এইটাও ভাবি যে; প্রেম মূলত মাশুক রে নিয়া আশিকের চিন্তা। এই চিন্তা মাশুকের উপস্থিতি সাপেক্ষেও ঘটতে পারে, মাশুকের অনুপস্থিতিতেও ঘটতে পারে।

image

গডেস অব অ্যামনেশিয়া (৪)

এরপর হঠাৎ এক সোমবার থেকে পোস্টমাস্টার আর আসে না। এক-দুই-তিন দিন চুপচাপ অপেক্ষায় থাকে নতুন মেয়েটি আর দাদী। সিনেমার বিজ্ঞাপনগুলো শুনতে শুনতে তাদের মনের মধ্যে নানান রকমের শংকা জাগে। লোকটি হয়তো অনেক বেশি অসুস্থ। অল্প জ্বর কাশি হলেও যে সে রেডিও শুনতে আসত এটা নিশ্চিত। হয়তো কোন একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেছে।

image

ভিলেন থেকে হিরো ! আইডিয়া এবং বাস্তবতা

'হিরো' থাকলেই সেখানে 'এন্টিহিরো' কন্সেপ্ট থাকবে। সিনেমার এন্টিহিরো তাই অনেক বেশী ফিলোজফিক্যাল এপিল তৈরি করে। ব্যাটম্যান সিরিজের 'জোকার' এর অনন্য দৃষ্টান্ত! ক্লার্ক কেন্ট, ডেক্সটার মরর্গান, টাইরন লেইস্টার একেকজন অভূতপূর্ব ভিলেন চরিত্র যারা কিনা 'হিরো' ক্যারেকটারের চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেন।

image

লেবাস

সে পহেলা ফাল্গুনের দিনে টিএসসির কনসার্টে ওই বোরকা পরেই নাচে। বোরকা পরে নৃত্যরতা ওই মেয়ের দিকে যে সবাই একটু বাড়তি কৌতুহল নিয়ে তাকায় সেই সব কৌতুহলী চোখকে সে পাত্তাই দেয় না। বরং সে বম্বের নায়িকাদের মতো জিন্সের সাথে চিকন ফিতার ট্যাংকটপের ওপরে জড়ায় তুরস্কের ফিটিং ফ্যাশন বোরকা। হেজাবের স্কার্ফটা এমনভাবে মাথা ও গলায় পেচায় যার বাইরে দৃশ্যমান হয়ে শোভাপায় তার উদ্বিগ্ন যৌবন।

image

গডেস অব অ্যামনেশিয়া (৩)

দাদীর মনে হতে থাকে -অজানা, অদেখা রাজধানীতে তার চারজন অতি পরিচিতের বাস। যাদের চেহারা সে মনে মনে বহুবার আঁকে। কিন্তু এক নেত্রী থেকে আরেক নেত্রীর ছবি, এক গায়িকা থেকে আরেক গায়িকার মুখ সে আলাদা করতে পারে না। অস্থির অবুঝ শিশু যেন, দাদী আনাড়ি আঁকিয়ের মতোন মনে মনে বহু বার এঁকে আরও বহু বার মুছে ফেলে ছবির মুখগুলো।