রুমির কাহিনি: সেক্সের ঠেলা, একজন মাইয়ার হাসি কি করতে পারে, আর আসল বেটাগিরির ঘটনা

img

হুট কইরাই একজন মিশরের খলিফারে কইলো, “মসূলের রাজা যেই সুন্দর এক বান্দীরে আনছে, এইরকম সুন্দর আর দুনিয়াতে নাই, এইরকম সুন্দর যে বনর্ণা করার কোন উপায় নাই। শে দেখতে এইরকম অনেকটা।” বইলা সে কাগজে তাঁর একটা ছবি আঁকলো। দেইখা খলিফার হাত থিকা তার কাপ পইড়া গেলো। সাথে সাথে উনি হাজার হাজার সৈন্য দিয়া উনার সেনাপতিরে মসূলে পাঠাইলেন। এক সপ্তাহ ধইরা অবরোধ চললো, অনেক মানুষ মরলো, মোমের মতোন দেয়াল আর ইমারতগুলি ধইসা পড়লো। মসূলের রাজা এক দূত পাঠাইলেন। “কেন এই খুন-খারাবি? তোমরা যদি শহরটা চাও, তাইলে আমি চইলা যাবো আর তোমরা এইটা নিয়া নিতে পারো! তোমরা যদি আরো ধন-সম্পত্তি চাও, সেইটা তো আরো সহজ।” সেনাপতি তখন যেই কাগজটাতে মাইয়াটার ছবি আঁকা আছিলো সেইটা বাইর করলো। এইটা। মসূলের তাকদওলা রাজা সাথে সাথে জবাব দিলেন, “বাইর করো তারে। যে মূর্তির পূজা করে মূর্তি তার কাছেই থাকে।”

সেনাপতি যখন দেখলেন তারে তখন উনিও খলিফার মতো প্রেমে পইড়া গেলেন। এই কথা শুইনা হাইসেন না। এই প্রেম অপারের প্রেমেরই একটা পার্ট, যেইটা ছাড়া এই দুনিয়া ঘুরতো না। বস্তুগুলি অজৈব থিকা জৈবধর্মে আসে, নিজেদেরকে ফুটাইয়া তোলে আত্মায় আর প্রতিটা প্রেমের গরজে পইড়া পারফেকশনে আসতে চায়। সেনাপতির মনে হইছে মাটি উর্বর আছে, আর সে তার বীজ বুনতে চাইলো। ঘুমাইয়া, সে মাইয়াটারে স্বপ্নে দেখলো। সে তার ইমেজের সাথে প্রেম করলো আর তার মাল আউট হইয়া গেলো। কিছুক্ষণ পরে সে ঘুম থিকা জাইগা উঠলো। আস্তে আস্তে সে বুঝতে পারলো যে মাইয়াটা এইখানে নাই। “আমার বীজ আমি খামাখা ফালাইলাম। এই কুটনা মাইয়ার আমি পরীক্ষা নিয়াই ছাড়বো।” একজন লিডার যে তার নিজের বডির সেনাপতি হইতে পারে নাই তারে সম্মান করা যায় না, তার মাল বালিতে পইড়া থাকে তখন। এখন সে তার সব কন্ট্রোল হারায়া ফেলছে। খলিফারে নিয়া তার কোন চিন্তা নাই বা মরা নিয়া। “আমি প্রেমে পড়ছি,” সে কইলো। এইরকম মাথা গরম কইরা কাম করা ঠিক না। একজন ওস্তাদের লগে পরামর্শ করা দরকার। কিন্তু সেনাপতি এই কাজ করতে পারলেন না। তার মোহ একটা কালাপানির ঢেউয়ের মতোন তারে ভাসায়া নিয়া গেলো। যখন কোনকিছু নাই তখন সেইটা অন্ধকারে একটা ওয়ালে একটা ভূতের মতো আসে, আর এই ভূতটা এতোটাই স্ট্রং হইয়া উঠে যে সত্যিকারের সিংহরে সে গর্তের ভিতর ঢুকায়া দেয়।

Whirling Dervishes of Konya( Aquatint, 2009)
Patrick Whitehead

আরো কিছু উপদেশ দেই: যেই মাইয়ারে আপনি কেয়ার করেন অন্য বেটাদের লগে তারে খোলামেলাভাবে মিশতে দেয়াটা বিপদের। তুলা আর আগুণের ফুলকি ছোটে, যদি তারা একলগে থাকে। খুবই কঠিন, একদম সম্ভবই না, এই আগুণ নিভানো। সেনাপতি সরাসরি খলিফার কাছে ফেরত যান নাই, বরং একটা নির্জন তৃণভূমিতে ক্যাম্প গাড়লেন। একটা গুড়গুড় আওয়াজের ভিতর তার যুক্তি হারায়া গেছিল, একটা আকাইম্মা মূলা, মূলার বাচ্চা হইয়া গেছিল। খলিফাও তার কাছে হইয়া গেছিল একটা ডাঁশ-মশা, কিছুই না। কিন্তু যখন এই চাষী মাইয়ার পাজামা ছিঁড়া ফেললো আর তার উরাতের চিপায় শুইতে গেলো, তার ধোন সরাসরি জায়গাটাতে যাইতে নিলো তখনই তাঁবুর বাইরে বিরাট একটা শোরগোল আর সৈন্যদের কান্দার আওয়াজ শোনা গেলো। সে উইঠা পড়লো আর পাছার কাপড় না পিন্দাই তলোয়ার হাতে নিয়া দৌড় লাগাইলো। পাশের জলা থিকা একটা কালো সিংহ ঘোড়াদের মাঝখানে চইলা আসছিলো। পুরা বিশৃঙ্খলা। তাঁবু থিকা বিশ ফুট দূরে দাঁড়ায়া সিংহটা একটা সাগরের মতো গজরাইতে ছিল। সেনাপতি পলকের মধ্যে সিংহটার দিকে আগায়া গিয়া এক কোপ দিয়া সিংহটার মাথা দুইভাগ করলো, আর দৌড়াইয়া মাইয়ার তাঁবুর ভিত্রে ঢুকলো। সে যখন মাইয়াটার রূপ আবারো খুললো তার ধোন আগের চাইতে বেশি টনটন কইরা উঠলো। এই জড়াইয়া যাওয়াটা, একসাথে হওয়াটা, সিংহের সাথে যেইরকম ছিল, ওইরকম। তার ধোন পুরাটা সময় খাড়াইয়া ছিল, আর এইটা নিস্তেজ হইয়া কোন মাল ফালায় নাই। সুন্দরীও তার বেটাগিরি দেইখা অবাক হয়া গেলো। সাথে সাথে পরম তেজ নিয়া সে তার তেজের সাথে জয়েন করলো, আর তাদের দুইটা স্পিরিট এক হইয়া তাদের ভিতর থিকা বাইর হইয়া গেলো। 

যখন এইরকমভাবে দুইজনে মিলে, তখন আরেকটা কিছু আসে, আরেক দুনিয়া থিকা। এইটা জন্ম নিয়া আসে যদি কোনকিছু গর্ভধারণটারে বাধা না দেয়, কিন্তু থার্ড একটাকিছু আসে, যখন দুইজন প্রেমে বা ঘৃণায় মিলে। চরম গুণাবলী পয়দা হয় যখন স্পিরিচুয়াল দুনিয়ায় এইরকম মিলন দেখা যায়। যখন আপনি এইরকম জায়গায় যাইবেন আপনি চিনতে পারবেন। আপনার এই মিশামিশি আওলাদ নিয়া আসবে। এইজন্য, সাবধান থাইকেন। ওয়েট করেন, আর কনশাস হন, যখন আপনি কাউরে মিট করতে যান। মনে রাখবেন, আওলাদদের কথাও কনসিডার করা লাগবে। আওলাদদের লগে তো থাকা লাগবো আর অরা তো পয়দা হইতেছে অন্যের সাথে আপনার ইমোশনের ভিতর দিয়া, অরা তো একটা অস্তিত্ব একটা ফর্মের, কথার আর একটা জায়গা, থাকার। এমনকি অরা এখনো কানতেছে আপনার কাছে। ‘তুমি আমাদেরকে ভুইলা গেছো। ফিরা আসো।’ এইটা নিয়া সাবধান থাইকেন। একজন পোলা আর একজন মাইয়া যখন একলগে থাকে তখন সবসময় একটা স্পিরিচুয়াল রেজাল্ট থাকে। সেনাপতি এইটা জানতেন না। উনি পইড়া গেছিলেন একটা ননী-দুধের পটে আর সেইখানে আটকাইয়া থাকলেন একটা ডাঁশ-মশার মতোন, উনার পিরীতের ঘটনায় পুরাপুরি ডুইবা গেছিলেন উনি। উনি মাইয়াটারে কইলেন, “খলিফারে এইটা নিয়া একটা কথাও বলবা না।” 

যখন সে তারে নিয়া গেলো, তারে দেইখা খলিফা পুরা তব্দা লাইগা গেলেন। উনি যা ভাবছিলেন মাইয়াটা তার চাইতে একশো গুণ বেশি সুন্দর। একবার এক লোক একজন চাল্লু টিচাররে জিগাইলো, “কোন জিনিসটা সত্যি আর কোন জিনিসটা মিথ্যা?” “এইটা হইলো মিথ্যা: একটা বাদুড় সূর্য থিকা লুকাইতে পারে, সূর্যের ধারণা থিকা পারে না। ধারণাটাই বাদুড়ের মধ্যে ভয়টা ঢুকায়া দেয় আর তারে গভীর গর্তের দিকে নিয়া যায়। একজন দুশমন সম্পর্কে তোমার একটা ধারণা থাকে যেইটা তোমারে কিছু সঙ্গী-সাথীর সাথে মিলায়। মূসার ভিতরের লাইট সিনাই-এর উপরে দেখা গেছিলো, কিন্তু পাহাড় সেই লাইট ধইরা রাখতে পারে নাই। নিজের লগে এমনে প্রতারণা কইরো না! কোনকিছুর আইডিয়া থাকার মানেই সেইটা অই জিনিসটার রিয়ালিটি না। আইডিয়ার যুদ্ধের লাইগা কোন সাহস লাগে না। গোসলখানার দেয়ালে দেয়ালে হিরোজম আর এইসবের কথা নিয়া অনেক ছবি আছে। একটা আইডিয়ারে কান থিকা চোখে নেয়ার ট্রাই করেন। তখন আপনার কথার কানগুলি লাইটের আঁশগুলির মতোন নিগূঢ় হয়া উঠবে। আপনার পুরা শরীর একটা আয়না হয়া উঠবো, আপনার সব চোখ আর স্পিরিচুয়াল শ্বাসগুলি। আপনার কানরে, নিজেরে আপনার লাভারের কাছে নিয়া যাইতে দেন।”

তো, খলিফা তো ব্যাপকভাবে মাইয়াটার প্রেমে পড়লেন। চমকের মতো তার রাজ্য নাই হইয়া গেলো। আপনার যদি অবশ হইয়া থাকে, তাইলে এইটা জাইনা রাখেন: যখন আপনার নিজের যেইটা আছে সেইটা যদি ভ্যানিশ হইয়া যায়, এইটা একটা ড্রিমই খালি, একটা দম্ভই, আপনার গোঁফের ভিতর দিয়া বাইর হওয়া শ্বাসই। এইটা আপনারে মাইরা ফেলতে পারে। এইরকম লোকেরাও আছে যারা কয়, “কিছুই থাকে না।” অরা ভুল কয়। প্রতিটা মোমেন্টে অরা কইতে থাকে, “যদি অন্য আরেকটা রিয়ালিটি থাকতো, আমি সেইটা দেখতে পাইতাম। আমি তো সেইটা জানতাম।” একটা বাচ্চা যেহেতু যুক্তির চেইনটা বুঝতে পারে না, আমরা কি যুক্তিবাদী হওয়া বাদ দিয়া দিবো? যদি বুঝদার লোকজন ফিল করে যে এই ইউনির্ভাসের ভিতর কোন প্রেম নাই, এইটা মিন করে না যে, এইটা নাই। ইউসুফের ভাইয়েরা ইউসুফের সৌন্দর্য্য দেখতে পায় নাই, কিন্তু ইয়াকুব কখোনই এইটা না দেইখা পারেন নাই। মুসাও পয়লা একটা কাঠের জিনিসই দেখছিলেন, কিন্তু আরেকবার তাকায়া দেখলেন যে অইটা আছিলো একটা সাপ আর এই কারণে ঘাবড়াইয়া গেছিলেন। দেখাটা ভিতরের জানার সাথে কনফ্লিক্ট করে। মুসার হাত একটা হাতই আর লাইটের একটা সোর্স। অনন্ত ব্যাপারটা যেইরকম রিয়েল এই ঘটনাগুলি এতোটাই রিয়েল, কিন্তু অনেকের কাছে এইগুলিরে ধর্মের ফ্যাণ্টাসি বইলা মনেহয়, যারা খালি যৌন অঙ্গগুলি আর হজমের জায়গাগুলিরে একমাত্র রিয়ালিটি বইলা বিশ্বাস করে। দোস্তদেরকে অদের কাছে পাঠাইয়েন না। অন্যদের কাছে, সেক্স আর খিদা হইলো ঝাপসা ইমেজ, আর দোস্ত হইলো তিনিই যিনি সবসময় আর পাক্কাভাবে এইখানে আছেন। আগেরজনরে তার মসজিদে যাইতে দেন আর আমরা আমাদেরটাতে যামু। পলাতকদের লগে বা যারা নিজেদেরকে অবিশ্বাসী বইলা দাবি করে উনাদের লগে বেশিক্ষণ কথা বলার কিছু নাই। 

তো খলিফার অই সুন্দরী মাইয়ার ভিতরে ঢুকার আইডিয়াটা আছিলো আর উনি যেমনে চাইতেছিলেন সেইভাবে তাঁর কাছে আসলেন। পুরান কথা ভাইবা তার ধোন খাড়ায়া গেলো, এইটারে ভিতরে ঢুকানো আর বাইর করার কথা ভাইবা কথা ভাইবা আনন্দে এইটা আরো বড় হইতে থাকলো। কিন্তু যখনই উনি মাইয়াটার লগে শুইলেন খোদার কাছ থিকা এক ফরমান জারি হইলো এইরকম শইলের কাজকামগুলি বন্ধ করার লাইগা। একটা ইন্দুরের খুঁটখুঁটানির মতো খুব ছোট্ট একটা সাউন্ড হইলো। ধোনটা নেতাইয়া পড়লো আর ডিজায়ার গায়েব হইয়া গেলো। উনি ভাবলেন খড়ের মাদুরের নিচ থিকা একটা সাপের আওয়াজ। মাইয়াটা এই নেতাইয়া যাওয়াটা দেখলো আর এইরকম একটা জিনিসের দিকে তাকায়া হাসতে লাগলো। তাঁর তখন সেনাপতির কথা মনে হইলো যে তার খাড়া হওয়া ধোন নিয়া সিংহটারে মারছিল। শে আরো জোরে জোরে হাসতে লাগলো। যে কোনকিছু ভাবলেই তার এইটার কথা মনে হইতে লাগলো, হাশিশ খাইলে মাইনষে যেমনে হাসে এইরকমভাবে হাসতে লাগলো। সবকিছুই তারঁ কাছে ফানি হইয়া উঠলো। প্রত্যেকটা ইমোশনেরই একটা সোর্স আছে আর একটা চাবি আছে, যেইখানে এইটা ওপেন হয়। খলিফা তো খুবই চেইতা গেলেন। উনি তার তলোয়ার বাইর করলেন। “এতো খুশি হওয়ার কি হইছে? তুই যা ভাবতেছিস সবকিছু আমারে বল। কোনকিছু লুকাইবি না। আমি সবই বুঝি। যদি তুমি মিথ্যা কথা কও তাইলে তোমার মাথা নামায়া ফেলবো। আর যদি তুমি সত্যি কথা কও, তাইলে তোমারে মুক্তি দিবো।”

সে সাতটা কোরান শরীফ একটা উপরে আরেকটা রাখলো আর তারে কসম খাইতে কইলো। যখন শে নিজের সামলাইতে পারলো মাইয়াটা তখন পুরা ডিটেইলসে সব কথা কইলো। ক্যাম্পের কথা, সমতলভূমির কথা, সিংহরে মারার কথা আর গন্ডারের শিংয়ের মতো শক্ত ধোন নিয়া তাঁবুতে ফিরা আসার কথা, সবই শে কইলো। আর অই ঘটনার বিপরীতে খলিফার নিজের জিনিসটা ইন্দুরের আওয়াজের লাইগা ডুইবা যাওয়াটার কথা তার মনে হইলো। গোপন জিনিসগুলি সবসময়ই আলোতে আসে। বাজে বীজ বুইনেন না। নিশ্চিত থাকেন, এরা বাইরে আসবোই। বৃষ্টি আর সূর্যের তেজ তাদেরকে বাতাসে নিয়া আসবে। পাতাগুলি ঝইরা যাওয়ার পরেই বসন্ত আসে, যেইটা আখেরাতের এনাফ প্রমাণ। বসন্তে গোপন জিনিস বাইরে আসে, দুনিয়ার ঠোঁট থিকা পাতাতে। দুশ্চিন্তাগুলি মদ খাইয়া মাথা-ব্যথার মতোন। কিন্তু মদটা কই থিকা আসে? ভাইবা দেখেন।

একটা ডালে যখন ফুল ফোটে সেইটা তার বীজের মতোন না। একটা মানুষ তার বীর্যের মতোন না। জিবরাঈলের শ্বাস থিকা যিশু আসছিলেন, কিন্তু ওই রূপটা তো উনি না। আঙুরটা দ্রাক্ষলতার মতো না। ভালোবাইসা কাজ করাটা পুরা অন্যরকম একটা ব্যাপার, একটা জ্যান্ত-জায়গার মতোন। কোন উৎসই তার মতো না, যেইখানে সে নিয়া যায়। যা কিছু আমরা করছি তার সবটাই আমরা জানি না। হয়তো এইটাই ভালো যে আমরা জানি না। তারপরও এর লাইগাই আমরা সাফার করি। 

খলিফা তখন তার স্বচ্ছতার মধ্যে ফিরা আসলেন। “ক্ষমতার গর্বে আমি আরেকজনের কাছ থিকা এই মাইয়ারে নিয়া আসছি, এই কারণে কেউ আসছিলো আর নক করছিলো আমার দরজায়। যে ব্যাভিচার করে সে তার বউয়ের কাছে একটা বেশ্যার দালাল। আপনি যদি কারো কোন ক্ষতি করেন, সেই একই ক্ষতি আপনি নিজের দিকেই টাইনা আনেন। আমার বিশ্বাসঘাতকতা আমার এই ফ্রেন্ডরেই বিশ্বাসঘাতক বানায়া দিছে। এইখানে আমি একটা মাফের ঘটনা ঘটাইলাম। আমি তোমারে সেনাপতির কাছে ফেরত পাঠাবো, এইটা কইয়া যে, আমার অন্য এক বউ জেলাস হইছে আর সেনাপতি যেহেতু মূসল থিকা তোমার নিয়া আসার সাহস দেখাইছে, সে-ই তোমারে বিয়া করবে।” 

এইটা হইলো একজন নবীর বেটাগিরি। খলিফা সেক্সুয়ালি ধজভঙ্গ আছিলেন, কিন্তু তার এই বেটাপণা আছিল সবচে পাওয়ারফুল। কামুকের অংসযমরে বাদ দিতে পারার তাকদটাই হইলো সত্যিকারের পুরুষত্ব। গোপনীয়তা আর প্রতিহিংসাপরাণয়তার আর কামের বীজ বুনবার যেই সার্কেল সেইটা শেষ করার লাইগা খলিফা যেই মহত্ব দেখাইছেন সেইটার তুলনায় সেনাপতির কামশক্তির তীক্ষ্ণতা একটা তুষের কণা ছাড়া আর কিছুই না


Imrul Hassan

ইমরুল হাসান

কবি। গল্প-লেখক। ক্রিটিক। ট্রান্সলেটর। জন্ম ১৯৭৫, ২৫শে সেপ্টেম্বর; ভৈরববাজার, কিশোরগঞ্জ। বেসরকারি চাকরি করি। থাকি ঢাকায়। ছাপা-হওয়া বই: কবিতার বই: কালিকাপ্রসাদে গেলে আমি যা যা দেখতে পাবো (২০০৫), অশ্বত্থ বটের কাছে এসে (২০১০), তোমার কথাগুলি আমি অনুবাদ করে দিতে চাই (২০১১), রাঙামাটি (২০১২), স্বপ্নের ভিতর (২০১৩), বসন্ত ১৪১৯ (২০১৫), টেস্ট এনভায়রনমেন্ট (২০১৬)। ফিকশন: পুরির গল্প (২০১৬)।