স্ট্রেস নিয়ে ছয়টি ভূল ধারণা !

img

এক

স্ট্রেস সবার জন্য সমান
সম্পুর্ণ ভুল। আমাদের প্রত্যেকের ই স্ট্রেস বা উদ্বিগ্নতা একে অপর থেকে ভিন্ন। কোন কিছুর প্রতি যদি কেউ স্ট্রেস অনুভব করে তার মানে এই না যে অন্য কেউও ওই বিষয়ে স্ট্রেসফুল হবে। স্ট্রেসের প্রতি প্রত্যেকেরই প্রতিক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন। 

দুই

স্ট্রেস সর্বদাই কারো জন্য খারাপ
এই তত্ত্ব অনুসারে এটা মনে হতে পারে, জিরো স্ট্রেস আমাদেরকে অনেক সুখী ও স্বাস্থ্যবান করে তোলে। আসলেই কি তাই! না। এটা নির্ভর করে ব্যাক্তি কিভাবে স্ট্রেসকে ডিল করে। যারা স্ট্রেসকে খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তারা জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি দুটোই পায়, আর যারা পারে না তাদের জন্য স্ট্রেস মারাত্বক, এমনকি মারণঘাতী!

তিন

স্ট্রেস সর্বক্ষেত্রেই আছে, সুতরাং এ বিষয়ে কিছু করার নাই
আসলে তা নয় । কেউ যদি সুচারুভাবে, সঠিক পরিকল্পনা-মাফিক নিজের কর্মকান্ডকে গুছিয়ে নিতে পারে, তবে জীবনে তার কাছে সবকিছুই সহজ মনে হবে, স্ট্রেসও কম হবে। অন্যদিকে যারা কোন পরিকল্পনা ছাড়াই জীবনে অগ্রসর হয় তাদের জন্য জীবন স্ট্রেসফুল বটে।

চার

স্ট্রেস দূরীকরণে অন্যের সফল হওয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে স্ট্রেস দূর করা সম্ভভ
মোটেও না। সার্বজনীন কোন পদ্ধতিতেই স্ট্রেস দূর করা সম্ভব নয়, অর্থাৎ এমন কোন পদ্ধতি এক্সিস্টই করে না। প্রত্যেক মানুষই আলাদা প্রত্যেকের স্ট্রেসও আলাদা। এমনকি আমাদের জীবনধারন, পরিস্থিতি, আমাদের প্রতিক্রিয়াও ভিন্ন। সুতরাং স্ট্রেস অনুযায়ী সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণই স্ট্রেস দূর করতে সাহায্য করতে পারে কেবল।

পাচ

যেহেতু লক্ষণ নেই, সেহেতু স্ট্রেসও নেই
অনেকসময় ওষুধ বা মেডিটেশন স্ট্রেসের লক্ষণ সমূহ অবদমন করে রাখে। তার মানে এই না যে, ব্যাক্তি স্ট্রেসফুল না। 

ছয়

স্ট্রেস গুরুতর হলেই কেবল তা চিন্তার বিষয়
এর অর্থ এই যে, সামান্য লক্ষণ ইগনোর করা যেমন- মাথা ব্যাথা বা স্টোমাক এসিডকে সাধারণভাবে নেওয়ার মত ব্যাপার। অল্প স্ট্রেসের অর্থ এই যে ব্যাক্তির জীবন আস্তে আস্তে আয়ত্তের বাইরে যাচ্ছে। সুতরাং ঐ মুহূর্ত থেকেই ব্যবস্থা না নিলে পরে তা ভয়ানক রূপ নিতে পারে।


Lifestyle Feature Desk

ফিচার