ইতিহাসে নারী-স্তনের পাঁচ মিথ

img

মিথ ১
পিরিয়ডের ব্লাড গাত্রে লাগাইবা মাখাইবা তো দূরের কথা ইতিহাস রেখিতে পিরিয়ড চলিতেছে এমন নারীজনের গাত্র স্পর্শ করিবা মাত্র অতিআবশ্য ছুতমার্গ হইয়া থাকে। কিন্তু প্রাচীন ইজিপ্ট চিকিৎসাশাস্ত্র ঘাঁটিয়া ইহা জ্ঞান হয় যে, কোন ঋতুবর্তীর রজঃ রক্ত স্তনে মাখাইলে উক্ত স্তন পুরুষ্ঠ, খাড়া ও সুঁচালো হইয়া অধিক আকর্ষনীয় হয়!
আমি এক অবলা নারী, সব কথা কী কইতে পারি! আধুনিক কোন নারীজনা তাহা হউক চান না! কিন্তু কোন ভিন-নারীর রজঃরক্ত নিজ স্তনে ডলিয়া মাখানো ইহাও ভাবা দুষ্কর যে। অথচ এই রূপ তৎকালীন নারীসকল করিত। ইতিহাস ঘাটিয়া এই মিথ আজ গোচরে আসিল।

মিথ ২
প্রায় দুইশত বছর পূর্বে মানুষ বিশ্বাস করিত, মাস্টারবেশন করিলে নারীর স্তন চিমসে যায়, ছোট হইয়া ফ্ল্যাট হইয়া পড়ে। স্বমেহন হেতু যে চরম পুলক বা অরগাজম হইতো তাহা মাতৃস্তনের ডেভেলভমেন্ট রহিত করিয়া স্তনকে ঢিলা করিয়া দিত বলিয়া তৎকালীন চিকিৎসাশাস্ত্র বিশ্বাস করিত।

মিথ ৩
১৩০০ সনে, রাজ-চিকিৎসক তৎকালীন ফরাসী রাজার কাছে মেইল মারফত আশ্বস্ত করিলেন যে, নারীদেহের যথাস্থানেই উহাদিগের স্তন বর্তমান! স্তনের অবস্থানের কার্যকারণ খোলাসা করিতে গিয়া উক্ত চিকিৎসক তিন হেতু টুকেন। প্রথমত, স্তন এমনস্থানেই ফুটে যেথায় পুরুষ সহজেই নেত্রপাত করিতে পারেন। দ্বিতীয়ত, নারী-স্তন ও হৃদপিন্ড পরিপূরক। উভয়ই উভয়ের জন্যে সুসংবাদ। স্তন হৃদপিন্ডকে উষ্ণ ও নিরাপদ রাখিয়া থাকে, এবং এইরূপে হৃদপিন্ড স্তনকেও। শেষত, ওজনদার স্তন নারী দেহের এবডোমিনাল স্ট্রেংথ বজায় রাখিয়া থাকে।

মিথ ৪
১৪০০ সনে, কতক নারীর তিনখানা স্তনের-বোঁটা থাকিত। এই রূপ ত্রয়াধারী নারীজনকে যাদু-টোনা-বানসহ যাবতীয় কালো-যাদুতে পারদর্শী বলিয়া গন্য করা হইতো। দুই স্তনের মধ্যখানে বিরাজমান দুই বোঁটা আমরা সকলেই কম-বেশি দেখিয়াছি, কিন্তু তৃতীয় বোঁটা আবার কিরূপ? তৃতীয় বোঁটা মূলত স্তনের আশে পাশে বাড়িয়া উঠা কালচে মাংসের দলা। আর যাহার এইরূপ তৃতীয় নিপল বর্তমান থাকিত তাহার পরিণতি হইল মৃত্যু! তাহাকে যাদু-টোনার সন্দেহে হত্যা করা হইতো।

মিথ ৫
পূর্বে যোদ্ধা নারীগন যাহাতে নির্ভূলভাবে বর্শা নিক্ষেপ করিতে পারে তাহার জন্যে নিজেরাই নিজেদিগের একটি স্তন কাটিয়া ফেলিতেন। তাহারা স্তনকে বর্শা নিক্ষেপে লক্ষ্যবস্তু ভেদের অন্তরায় ভাবিতেন।

 


Eprokash Feature

ফিচার

개발 지원 대상