‘সুপার ফ্রুট’ পেয়ারা!

img

পেয়ারা খেতে যেমন সুস্বাদু, পুষ্টিতেও অনন্য। দেশীয় ফল, তাই সহজলভ্য। এখন বর্ষা মৌসুম, তাই হাঁট-বাজারে পেয়ারা কম দামেই পাওয়া যাচ্ছে। পুষ্টিগুনের জন্যে পেয়ারাকে বিজ্ঞানীরা ‘সুপার ফ্রুট’ নাম দিয়েছেন। আসুন জেনে নিই দেশীয় ফল পেয়ারার পুষ্টিগুন।

পেয়ারাতে ক্যালোরি এবং ফ্যাটের পরিমান কম থাকে, কিন্তু এটি ভিটামিন, মিনারেল এবং এন্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর, যা ক্যান্সার, এজিং, ইনফেকশন ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাজ করে।

অন্যদিকে, ডায়াটারি ফাইবারের অন্যতম প্রধান উৎস পেয়ারা। প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে থাকে ৫.৪ গ্রাম ফাইবার। ফলে এটি দারুণ ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করে। পেয়ারা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

পেয়ারা ভিটামিন-সি’তে ভরপুর থাকে। আমাদের প্রতিদিন যে পরিমান ভিটামিন-সি দরকার হয় তার প্রায় তিনগুন থাকে প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে। সাধারণত পেয়ারার মোটা চামড়ার ঠিক নিচেই যে মাংসের স্তর থাকে, তাতে ভিটামিন-সি’র পরিমান ভেতরের মাংসের তুলনায় বেশি থাকে। নিয়মিত পেয়ারা খেলে ভিটামিন-সি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে চাঙ্গা রাখে। ফলে সংক্রমণ কম হয়। আবার ভিটামিন-সি শরীরের ফ্রি-র্যা ডিকেলসমূহকে সরিয়ে দিয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমায়। ভিটামিন-সি আমাদের শরীরে কোলাজেন নামক উপাদান তৈরিতে সহায়তা করে। কোলাজেন রক্তনালি, চামড়া, হাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে মজবুত রাখে।

এছাড়া, পেয়ারাতে ভিটামিন-এ থাকে প্রচুর। আরো থাকে বিটা-ক্যারোটিন, লাইকোপিন ইত্যাদি। এসকল উপাদান সুস্বাস্থ্যের জন্যে পরিহার্য। বিটা-ক্যারোটিন ফুসফুস ও মুখের ভিতরের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

কিছু পেয়ারা কাটলে ভিতরে গোলাপি রঙের হয়। এই পেয়ারাতে টমেটোর প্রায় দ্বিগুন পরিমান লাইকোপিন থাকে। লাইকোপিন আমাদের ত্বককে uv রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে সুরক্ষা করে। এছাড়া এটি প্রোস্ট্রেট ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।

পেয়ারাতে কলার চেয়েও বেশি পটাশিয়াম থাকে। পটাশিয়াম হার্ট রেট এবং ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রন করে। এছাড়া পেয়ারাতে আছে ভিটামিন-বি এবং কে।


Eprokash Feature

ফিচার

개발 지원 대상